টানা কাজের মাঝে ছোট ছোট বিরতি নেয়ার উপকারিতা


  • By
  • October 3rd, 2018
  •    
  • পড়তে সময় লাগবে: < 1 minute
  • 1,312 views
< 1 min read

কর্মক্ষেত্রে আমাদের একের পর এক কাজ করে যেতে হয়।  আপনি যদি একজন একাউন্টেন্ট হন তবে আপনাকে হয়তো একই দিনে কর্মচারীদের বেতনের হিসাব, নতুন প্রজেক্টের বাজেট করা, মজুদ কাঁচামালের হিসাব – ইত্যাদি নানান ধরনের টাস্ক করতে হয়।

এই কথা সত্যি যে এর সবই হিসাবরক্ষণের মধ্যে পড়ে।  কিন্তু একটির চেয়ে আরেকটি কিন্তু একটু হলেও আলাদা।  ইংরেজীতে “Residue of Thoughts” বলে একটা কথা আছে।  আমরা যখন এক চিন্তা থেকে আরেক চিন্তায় যাই, তখন পেছনের চিন্তাটি পুরোপুরি আমাদের মাথা থেকে বিদায় নেয় না।  এক্ষেত্রে দ্বিতীয় বিষয়ে চিন্তা করতে গেলে প্রথম বিষয়টির চিন্তাও মাঝে মাঝে খোঁচা দেবে।এতে করে মস্তিষ্ক দ্রুত ক্লান্ত হবে।

এর সবচেয়ে ভালো সমাধান হলো, একটি কাজ শেষ করে, সাথেসাথেই অন্য একটি কাজে মনযোগ না দিয়ে কিছু সময়ের বিরতি নেয়া। 

High Performance Habits: How Extraordinary People Become That Way” বইয়ের লেখক ব্রেন্ডন বারচার্ড এর মতে,

“বেশিরভাগ মানুষ আসলে একই দিনে বিভিন্ন পরিবর্তনের মাঝ দিয়ে যেতে যেতে ক্লান্ত ও অবসন্ন হয়ে পড়ে। অন্যদিকে হাই পারফর্মাররা এই পরিবর্তনের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেন। তাঁরা এক কাজ থেকে আরেক কাজে যাওয়ার মাঝের সময়টাতে ছোট ছোট ব্রেক নেন যা তাঁদের পরবর্তী কাজের জন্য বেশ কিছুটা চাঙ্গা করে তোলে।  তাঁরা বিভিন্ন ভাবে এই শক্তি অর্জন করেন। অনেকেই দুই কাজের মধ্যবর্তী সময়ে চোখ বন্ধ করে কিছুক্ষণ ধ্যান করে। এটি তাদের প্রশান্তি, বিশ্রাম ও স্বস্তি দেয় এবং ঠান্ডা মাথায় তাঁদের পরবর্তী কাজ নিয়ে চিন্তা করার অবকাশ দেয়। এর ফলে পরের কাজের জন্য তাঁরা নিজেদের ভেতরে নতুন একটি উদ্যমের সৃষ্টি করে নিতে পারেন। হাই পারফর্মারা সারাদিন এই ছোট ছোট বিরতির মধ্যদিয়ে নিজেদেরকে ‘রিচার্জ’ করে নেন এবং শক্তি হারানোর বদলে নতুন করে শক্তি অর্জন করেন।“

(আমাদের করা High Performance Habits এর পুরো বুক রিভিউটি এই লিংকে গিয়ে দেখতে পারেন)

দু’টি কাজের মাঝখানে সম্ভব হলে ২০ মিনিটের একটি ব্রেক নিন।  সম্ভব না হলে ১০ মিনিট ব্রেক নেয়ার চেষ্টা করুন।  এই সময়টিতে কোনও কাজের বিষয় চিন্তা করা থেকে বিরত থাকুন। জানালা দিয়ে বাইরের পরিবেশ দেখুন, বা একটু হাঁটাহাঁটি করুন। সম্ভব হলে ডেস্ক ছেড়ে কয়েক মিনিটের জন্য উঠে যান। মস্তিষ্ককে নিজের মত করে গুছিয়ে উঠতে দিন। এতে আপনার পরের কাজটি আরও অনেক ভালো হবে। আর যদি একটি কাজ শেষ করে সাথেসাথেই আরেকটি শুরু করেন, তাহলে সেই কাজের মান ভালো না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

পদ্ধতিটি ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্যদের দেখার সুযোগ করে দিন।  এমন আরও টিপসের জন্য লড়াকুর সাথে থাকুন।

ativador office 2021   

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *