সমাধান-কেন্দ্রিক সমস্যা সমাধান পদ্ধতি: কেন সমাধান কেন্দ্রিক পদ্ধতিতে কাজ করবেন?  


  • By
  • February 5th, 2019
  •    
  • পড়তে সময় লাগবে: 4 minutes
  • 1,851 views
সমস্যা সমাধান পদ্ধতি

সমস্যা সমাধান পদ্ধতি দুই ধরনের: সমস্যা কেন্দ্রিক (problem-focused) ও সমাধান কেন্দ্রিক (solution-focused)। সমস্যা কেন্দ্রিক চিন্তা সমস্যা কমানোর বদলে তাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। অন্যদিকে সমাধান কেন্দ্রিক চিন্তা এক সময়ে না এক সময়ে সমস্যার কার্যকর সমাধান বের করে।

সমস্যা ও সমাধান কেন্দ্রিক পদ্ধতি কি?

সমস্যা কেন্দ্রিক সমস্যা সমাধান পদ্ধতি হল কোনও সমস্যা হলে, সমস্যাটি কি কারণে ঘটেছে – তা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করা এবং এর পেছনে বেশি সময় ব্যয় করা।এই ধরনের চিন্তা করা মানুষ সাধারণত ‘দোষী খুঁজে বের করার’ জন্য কাজ করেন, মূল সমস্যা সমাধান নিয়ে ততটা মাথাব্যাথা থাকে না।

আর সমাধান কেন্দ্রিক চিন্তা হল, কোনও সমস্যা আসলে সমস্যাটিকে সত্যিকার অর্থে নির্মূল করার চেষ্টা করা। কি করলে সমস্যাটি আর থাকবে না, এবং ভবিষ্যতে আর হবে না – সেটা খুঁজে বের করাই এই পদ্ধতির মূল উদ্দেশ্য।

সমস্যা সমাধান

কোনও সমস্যা দেখা দিলে সেই সমস্যার মূল কারণ খুঁজে বের করা অবশ্যই জরুরী। এটা না করলে সমস্যার সমাধান করা যাবে না – কিন্তু একবার সেই সম্ভাব্য কারণ খুঁজে বের করার পর তার পেছনে আরও সময় দিলে শুধু সময়টিই নষ্ট হবে। বিশেষ করে, যখন কোনও সমস্যার দ্রুত সমাধান বের করা প্রয়োজন – তখন সমস্যা কেন্দ্রিক পদ্ধতির চেয়ে সমাধান কেন্দ্রিক পদ্ধতি বেশি কার্যকর। তাছাড়া সমস্যার সমাধানে শুধু সমস্যা কেন্দ্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করলে কাজের পরিবেশে তার খারাপ প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে টিম ওয়ার্ক এর ক্ষেত্রে সমস্যা কেন্দ্রিক পদ্ধতির চেয়ে সমাধান কেন্দ্রিক পদ্ধতি অনুসরন করলে টিমের কাজ অনেক বেশি ভালো হবে।

বাস্তব জীবনে দু্ই ধরনের সমস্যা সমাধান পদ্ধতি এর প্রভাব:

সমস্যা ও সমাধান কেন্দ্রিক সমস্যা সমাধান পদ্ধতি শুধু কাজের ক্ষেত্রেই নয়, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নেয়া, পড়াশুনা – অর্থা‌ৎ জীবনের সব ক্ষেত্রেই এর প্রভাব আছে। চলুন, একজন কলেজ ছাত্রের জীবনে এই দুই ধরনের পদ্ধতির প্রভাব দেখি। এটা আমাদের এই দুই ধরনের সমস্যা সমাধান পদ্ধতিকে আরও ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করবে।

ধরুন, সুমন কলেজে নতুন ভর্তি হয়েছে। ছোটবেলা থেকেই তার ইচ্ছা ডাক্তার হবে। তার ধ্যান জ্ঞান সব বায়োলজি আর কেমিস্ট্রি নিয়ে। অংক তার একদমই ভালো লাগে না। স্কুল জীবনে পরীক্ষায় ভালো করার জন্য জোর করে অংক করেছে, কিন্তু কলেজে এসে এখন তার এই বিষয়টি পড়তেই ইচ্ছা করে না। কিন্তু তাকে যদি ভালো ভাবে কলেজ পাশ করতে হয় – তবে অবশ্যই তাকে তার অপছন্দের বিষয়টিও ভালোভাবে পড়তে হবে।

এখন সুমন যদি সব সময়ে চিন্তা করে, অংক বিষয়টি পড়তে তার কতটা কষ্ট হবে, এবং এতে খারাপ করলে তার কি ক্ষতি হবে – তবে সে সমস্যা কেন্দ্রিক চিন্তার মধ্যে আটকে যাবে। তার মাথায় এইসব চিন্তা ঘুরপাক খাবে: “কেন আমাকে এটা পড়তে হবে?”, “এটা পড়ে আমার লাভ কি?”, “এটা পড়তে গেলে আমার প্রয়োজনীয় সাবজেক্ট পড়ার সময় কতটা নষ্ট হবে?”, “সব এডুকেশন সিস্টেম এর দোষ”

এসব চিন্তা করার পাশাপাশি সে তার বন্ধুদের সাথেও এই বিষয়টি নিয়ে নেগেটিভ কথা বলা শুরু করবে। মাঝে মাঝে তর্ক বাধবে। পুরো ব্যাপারটাই একটা নেগেটিভ দিকে গড়াবে, এবং শেষ পর্যন্ত সে ব্যর্থ হবে।

এখন সুমন যদি সমাধান কেন্দ্রিক চিন্তা করে, তবে সে “কেন আমাকে এটা পড়তে হবে?” , “এটা পড়ে আমার কি লাভ?” – এইসব নেগেটিভ প্রশ্ন করার বদলে, এবং এডুকেশন সিস্টেমকে দোষ দেয়ার বদলে, সে এই দুর্বলতা কাটানোর পথ খুঁজবে।

সে নিজেকে বলবে “যেহেতু এই বিষয়ে ভালো করা ছাড়া আমার মূল রেজাল্ট ভালো করা সম্ভব নয়, সেহেতু এই বিষয়ে আমার দুর্বলতা কাটাতে হবে”। এরপর সে প্রথমে সমস্যার মূল কারণ খুঁজে বের করতে ঠিক যেটুকু প্রয়োজন, সেটুকুই সমস্যা নিয়ে চিন্তা করবে, তারপর সেই কারণ দূর করার জন্য সমাধান নিয়ে চিন্তা করবে। কেন তাকে অংক নিয়ে পড়তে হবে, এটা চিন্তা করার বদলে সে চিন্তা করবে, কেন আসলে তার অংক করতে ভালো লাগে না?, এবং ভালো লাগার জন্য তাকে কি করতে হবে?- সেইসাথে নিজের দুর্বলতা কাটানোর জন্য তাকে কতটা প্রাকটিস করতে হবে – তা নিয়ে একটি পরিকল্পনা করবে।

অংক প্রাকটিস করতে গিয়ে তার কত সময় নষ্ট হচ্ছে, এই বিষয়ে চিন্তা করার বদলে, সে মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় রেজাল্ট করার ক্ষেত্রে এই বিষয়টির গুরুত্ব বোঝার চেষ্টা করে সেই অনুযায়ী পড়াশুনা করবে।

আবার ধরুন, চাকরীর ক্ষেত্রে একজন কর্মীকে এমন কাজ দেয়া হল, যেটা তার জব ডেসক্রিপশনে পড়ে না, মানে এই কাজ সে আগে করেনি, কিন্তু প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনে তাকে করতে বলা হল – এখানেও সমস্যা কেন্দ্রিক চিন্তা ও সমাধান কেন্দ্রিক চিন্তা তার কাজকে প্রভাবিত করবে।

ধরুন রফিক সাহেব একটি ঔষধ কোম্পানীতে মেডিসিন এর ব্র্যান্ডিং কর্মকর্তা হিসেবে জয়েন করেছেন। তাঁর আগ্রহ ও দক্ষতা এই মেডিসিন ব্র্যান্ডিং কে কেন্দ্র করে। এখন কোম্পানী চিন্তা করল তারা ওষুধের পাশাপাশি চিকি‌ৎসা সরঞ্জাম বা মেডিকেল ইকুইপমেন্টও বাজারে ছাড়বে। তারা নতুন একজন মার্কেটিং এক্সপার্ট নিয়োগ করার বদলে রফিক সাহেবকেই দায়িত্ব দিল।

এখন রফিক সাহেব যদি সমস্যা কেন্দ্রিক চিন্তা করেন, তবে শুধু ব্যাপারটির নেগেটিভ দিকগুলোই তাঁর চোখে পড়বে। কেন তাঁকে এই কাজ দেয়া হল?, তাঁর তো এই কাজ করার কথা না, তিনি তো ইকুইপমেন্ট মার্কেটিং নিয়ে কিছু জানেন না – ইত্যাদি চিন্তা তাঁর মাথায় ঘুরপাক খাবে। আর এসব চিন্তা করলে তিনি নিজের ক্যারিয়ারকেই হুমকির মুখে ফেলবেন।

অন্যদিকে, তিনি যদি সমাধান কেন্দ্রিক চিন্তা করেন, তবে প্রথমে তিনি অবশ্যই এই কাজ করতে গেলে তাঁর কি কি সমস্যা হবে – সেগুলো চিন্তা করবেন। তিনি হয়তো ইকুইপমেন্ট সম্পর্কে তেমন কিছু জানেন না, ইকুইপমেন্ট মার্কেট সম্পর্কে জানেন না, কাস্টোমারদের সম্পর্কে তাঁর স্পষ্ট জ্ঞান নেই – এগুলো তিনি বুঝবেন। কিন্তু তিনি এটা নিয়ে পড়ে থাকবেন না। সমস্যাগুলো বের করার পর তিনি সেগুলো সমাধানের উপায় খুঁজবেন। এক্সপার্টদের সাথে কথা বলবেন, পড়াশুনা করবেন, সরজমিনে মার্কেটটি বোঝার চেষ্টা করবেন – এরকম আরও কাজের মাধ্যমে তিনি নিজের দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করবেন।

সমাধান কেন্দ্রিক চিন্তা সব সময়েই পজিটিভ ফলাফল বয়ে আনে। রফিক সাহেব যদি সমাধান কেন্দ্রিক পদ্ধতিতে এগোন, তাহলে তাঁর একটি নতুন দক্ষতা অর্জন হবে – যার ফলে তিনি সেই কোম্পানীতে তো বটেই, পুরো ইন্ডাস্ট্রিতে একটি শক্ত অবস্থানে চলে যাবেন।

সমস্যা কেন্দ্রিক চিন্তা করলে মানুষ সমস্যা সমাধানের চেয়ে সমস্যা এড়ানোকে বেশি প্রাধান্য দেয়। তাদের মনে হয় যে, তারা সমস্যার সমাধানের জন্য কাজ করছে – কিন্তু তারা আসলে সমস্যাকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। নিজেকে চ্যালেঞ্জ করে আরও উন্নত করার অনুপ্রেরণার বদলে, সমস্যা থেকে পালাতে উ‌ৎসাহ দেয়। ফলে দিন শেষে তাদের অনেক বড় সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে, সমাধান কেন্দ্রিক চিন্তা মানুষের দক্ষতা ও যোগ্যতাকে বাড়িয়ে তাদের আরও শক্তিশালী হতে অনুপ্রাণিত করে করে।

সমস্যা কেন্দ্রিক পদ্ধতি সমাধান কেন্দ্রিক পদ্ধতির অংশ:

আগেই বলেছি, সমাধান কেন্দ্রিক চিন্তা শুরু করার আগে, অবশ্যই আপনাকে সমস্যার মূল কারণ খুঁজে বের করতে হবে। তার মানে, সমাধান কেন্দ্রিক পদ্ধতি শুরু করার আগে আপনাকে সমস্যা কেন্দ্রিক পদ্ধতিতে চিন্তা করতে হবে। কাজেই, সমস্যা কেন্দ্রিক পদ্ধতিকে একদম ফেলে দিলে চলবে না। এটা সমাধান কেন্দ্রিক পদ্ধতিরই একটা অংশ।

কিন্তু সমস্যার মূলে পৌঁছানোর জন্য সমস্যা কেন্দ্রিক পদ্ধতির ব্যবহার করলেও পুরো সমস্যার সমাধান ভাবার সময়ে আপনাকে এই পদ্ধতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে। না হলে একের পর এক অপ্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে মাথা ঘামাতে থাকবেন।

সমাধান কেন্দ্রিক পদ্ধতি কখন প্রয়োজন হয় এবং কিভাবে এটা রপ্ত করা যায়?

সুমনের কলেজে অংক নিয়ে সমস্যা, বা রফিক সাহেবের পেশাগত সমস্যার মত এমন আরও সমস্যা আমাদের জীবনে আসতে পারে – যেগুলোর মুখোমুখী আমাদের হতেই হবে। এগুলো বদলানো আমাদের সাধ্যের বাইরে। রফিক সাহেব চাইলেই কোম্পানীর সিদ্ধান্ত বদলাতে পারবেন না, অথবা সুমন চাইলেই কলেজের সিলেবাস থেকে অংক বাদ দিতে পারবে না।

এইরকম পরিস্থিতিতে সমস্যার সাথে লড়ার বদলে আমাদের উচি‌ৎ নিজের দক্ষতা ও যোগ্যতা বাড়ানোর চেষ্টা করা। যাতে সমস্যার নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে চলে আসে। সুমন যেহেতু সিলেবাস থেকে অংক বাদ দিতে পারছে না, এবং অংক না করলে যেহেতু তার রেজাল্ট মেডিকেল কলেজে সুযোগ পাওয়ার মত ভালো হবে না – সেহেতু তাকে অংকে দক্ষ হয়ে উঠতে হবে। যখন সে বুঝতে পারবে যে, তার অংকে দক্ষ হতে হবে – তখনই সে সমাধান কেন্দ্রিক চিন্তা করা শুরু করবে।

জীবনে এমন যে কোনও সমস্যা – যেগুলো আমরা চাইলেও এড়াতে পারবো না, অথবা এড়িয়ে গেলে বড় ক্ষতি হয়ে যাবে – সেগুলোর ক্ষেত্রেই মূলত সমাধান কেন্দ্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করা বেশি প্রয়োজন।

 কিভাবে অর্জন করা যায়?

এই পদ্ধতি আপনার এমনিতেই রপ্ত হয়ে যাবে, যদি আপনি নিজের অভ্যাসে একটু পরিবর্তন আনেন। এবং নিজের ধাপগুলো মেনে চলেন:

# যে কোনও সমস্যার সামনে পড়লে প্রথমেই ভেবে দেখুন ঠিক কি কারণে এই সমস্যা হল। প্রয়োজন হলে সময় নিয়ে ভাবুন ও কাগজ-কলমে নোট করুন।

# কারণ বের করা হয়ে গেলে ‘অপরাধী খুঁজতে’ যাবেন না। এই কারণগুলো দূর করতে আপনি নিজে কি কি করতে পারেন – তা ভেবে বের করুন।

# আপনার নিজের করনীয় ভাবা হয়ে গেলে, এবার দেখুন সেগুলোর কোনটি আপনি এখনই করার ক্ষমতা আপনার আছে, এবং কোনটি করার ক্ষমতা আপনার নেই। আলাদা ভাবে কাগজে লিস্ট করুন।

# করনীয় কাজগুলোর মধ্যে কিছু অথবা সবগুলোই যদি আপনার যোগ্যতার বাইরে হয় – তবে ঘাবড়াবেন না। চিন্তা করুন সেই যোগ্যতা অর্জন করতে আপনার কি কি করতে হবে, অথবা কার কার সাহায্য প্রয়োজন হবে। এরপর সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ শুরু করুন। – দেখবেন আপনি একটা সময়ে সেই সমস্যা সমাধান করে ফেলেছেন। সেইসাথে, আপনার ঝুলিতে নতুন কিছু দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা যোগ হয়েছে, যা আপনাকে মানুষ হিসেবে আরও যোগ্য ও শক্তিশালী করে তুলেছে।

সমস্যা সমাধান

* (এখানে কাগজ কলমের ব্যবহারটা জরুরী। আমরা যখন কিছু লিখি, তখন আমাদের মস্তিষ্ক স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি গভীর ভাবে এবং গুছিয়ে চিন্তা করে। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে, ‘সাইকো-নিউরো-মোটর-এ্যাক্টিভিটি’)

পরিশিষ্ট:

নেগেটিভ চিন্তার বদলে পজিটিভ চিন্তা করা এবং সমস্যা এড়িয়ে না গিয়ে তার সমাধানে নিজের যোগ্যতা ও জ্ঞান বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়াই মূলত সমাধান কেন্দ্রিক মানসিকতার পরিচয় দেয়।

সবকিছু করার যোগ্যতাই আসলে আমাদের আছে। শুধু মানসিকতা ও চিন্তা করার ধরনে একটু পরিবর্তনই জীবনকে অনেক সুন্দর ভাবে বদলে দিতে পারে।

আপনার চিন্তাধারা পরিবর্তনে ও সফল জীবন গড়তে দুই ধরনের সমস্যা সমাধান পদ্ধতি নিয়ে এই লেখাটি যদি একটুও কাজে আসে – তবেই আমাদের চেষ্টা সফল হবে।

লেখাটি কেমন লেগেছে – সেই বিষয়ে আপনার যে কোনও মতামত আমাদের কমেন্ট করে জানান। আপনার সব মতামতই আমাদের কাছে অমূল্য।

আর যদি মনে হয়, এই লেখা পড়ে অন্যরাও উপকৃত হবেন – তাহলে শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন।

এই ধরনের আত্ম উন্নয়ন মূলক লেখা যদি আপনিও লিখতে পারেন – তবে লিখে পাঠিয়ে দিন write@test.edaning.com ইমেইল এ্যাড্রেসে। আমরা যত্ন সহকারে আপনার লেখাটি আপনার নাম সহ প্রকাশ করব।

এই ধরনের আরও লেখার জন্য নিয়মিত আমাদের সাথে থাকুন। সাফল্যের পথে লড়াকু সব সময়ে আপনার সাথে আছে।

2 thoughts on “সমাধান-কেন্দ্রিক সমস্যা সমাধান পদ্ধতি: কেন সমাধান কেন্দ্রিক পদ্ধতিতে কাজ করবেন?  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *