দুঃখ দূর করার উপায়: মনের দুঃখ যেন এগিয়ে যাওয়া বন্ধ না করে


  • By
  • May 28th, 2019
  •    
  • পড়তে সময় লাগবে: 4 minutes
  • 9,204 views
দুঃখ দূর করার উপায়

দুঃখ দূর করার উপায় বলার আগে কিছু কথা বলে নেয়া প্রয়োজন। পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা খুবই মেধাবী ও যোগ্যতা সম্পন্ন – কিন্তু তাঁরা জীবনে কিছুই করতে পারেননি। কারণ, এদের কেউ কেউ নিজের দুঃখকে কাটিয়ে উঠতে পারেননি।  কিছু দুঃখ দূর করা যায় না। খুব কাছের প্রিয়জনের অসময়ে চলে যাওয়ার মত দুঃখ ভোলাটা কঠিন। সত্যিকার দু:খ আসলে ভোলা যায় না। কিন্তু তাকে কাটিয়ে ওঠা যায়। তাকে হয়তো পুরোপুরি দূর করা যায় না – কিন্তু তাকে সাথে নিয়েও জীবনে এগিয়ে যাওয়া যায়।

এটা নিয়ে পড়ে থাকলে নিজের পাশাপাশি নিজের কাছের মানুষগুলোরও ক্ষতি হয়। নিজের অপার সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়। আর কিছু দুঃখ তো একেবারেই অযৌক্তিক। যেগুলো নিয়ে এক মিনিট পড়ে থাকা মানে সেই মিনিটটি নষ্ট করা। আবার কিছু মানুষ আছেন, মনে দুঃখ থাকলেও স্বীকার করতে চান না। এমনকি নিজের কাছেও নিজে এটা মানতে চান না। এরা দু:খকে অস্বীকার করে সব সময়ে হাসিখুশি থাকার অভিনয় করেন। – এটাও আসলে ভালো কিছু নয়। এটা ভেতরে ভেতরে মানুষকে আরও দু:খী করে।

দু:খ থেকে রাগ, হতাশা, ভয় – এগুলো সৃষ্টি হয়, অথবা এইসব নেতিবাচক অনুভূতি আরও শক্তিশালী হয়। আর এই সবগুলো অনুভূতিই মানুষের জীবনের উন্নতির পথে বাধা। তাই দুঃখের সঠিক কারণ খুঁজে বের করে সেই দুঃখ দূর করার উপায় বের করা জরুরী। দু:খের মধ্যে আটকে থাকলে জীবনের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো যায় না।

আজ আপনাকে এমন ৪টি উপায় বলব, যেগুলো কাজে লাগিয়ে আপনি ধৈর্যের সাথে দু:খ ও মন খারাপের মত বিষয়গুলোকে সামলাতে পারবেন। এবং জীবনে এগুলো থাকার পরও কিভাবে সফল ও সুখী হওয়া যায় – তার একটা ধারণা পাবেন।

দুঃখ দূর করার ৪ উপায়:

০১. আপনার দুঃখ এর ধরন বোঝার চেষ্টা করুন

দুঃখ দূর করার উপায়

বেশকিছু মনোবিজ্ঞানীর মতে, দু:খ কে মূলত ৩টি ক্যাটাগরিতে ফেলা যায়:

** সাময়িক দুঃখ:

এটা একটা মুড। মাঝে মাঝেই মানুষের মন খারাপ থাকে। আবার কিছু সময় পর ভালো হয়ে যায়। একা একা শুয়ে শুয়ে ছোটবেলার কথা ভাবতে ভাবতে মন ভারী হয়ে যায়। বুক চিরে দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে আসে। কিন্তু একটু পরই আমরা সেটা ভুলে যাই।

এধরনের মুড কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিনের বেশি স্থায়ী হয় না। কিন্তু মাঝে মাঝেই যদি এভাবে মুড অফ থাকে – তবে আপনার স্বাভাবিক কাজের ক্ষতি হবে।

এটা তাদের বেশি হয় যারা ঠিকমত ঘুমায়না, অথবা বেশি আলস্য করে।

এই ধরনের সমস্যার সবচেয়ে ভালো সমাধান হল নিয়মিত ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমানো, এবং দিনের কিছুটা সময় শারীরিক পরিশ্রম করা। ব্যায়াম করা, কিছুটা সময় হাঁটাহাঁটি করা, একটু খেলাধুলা করা – ইত্যাদি মনকে অনেক বেশি প্রফুল্ল রাখে। এছাড়া সিগারেট, মদ ইত্যাদি নেশা বাদ দিতে হবে। অতিরিক্ত কোমল পানীয় এবং চা-কফি এড়িয়ে চলতে হবে। এর ফলে এই ধরনের মুড অফ থাকার সমস্যা কমে যায়।

 

** বিশেষ কারণে মন খারাপ

এই ধরনের দু:খবোধ এর কারণ হল কোনও বিশেষ ঘটনার কারণে মনে কষ্ট পাওয়া। কাছের মানুষের কাছ থেকে অনাকাঙ্খিত আচরণ পাওয়া, অফিসের বসের কাছে অপমানিত হওয়া, খুব কাছের কেউ মারা যাওয়া, বড় আর্থিক ক্ষতি হওয়া – ইত্যাদির ফলে মানুষের মনে দীর্ঘস্থায়ী দু:খের সৃষ্টি হয়। এর ফলে অনেকটা সময়ের জন্য কিছুই করতে ভালো লাগে না। এমনকি বছরের পর বছর ধরেও এসব কারণে মানুষের মন খারাপ থাকে।

এর থেকে বাঁচার জন্য অনেকেই এটাকে ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করে। এমনকি এটা নিয়ে কথাও বলতে চায় না। কিন্তু এটা মনের ভেতরে দু:খটিকে আরও গভীর করে। সেলফ ডেভেলপমেন্ট কোচ ক্যাথরিন স্যানফোর্ড এর মতে, এগুলো লুকিয়ে রাখার চেষ্টা না করে, এগুলো নিয়ে খোলামেলা কথা বললে অনেক বেশি উপকার পাওয়া যায়।

খুব কাছের বন্ধু, আত্মীয়, ভাই-বোন – যে কারও সাথে এই বিষয়গুলো নিয়ে কথা বললে মন হাল্কা হবে। এছাড়া তাদের কাছ থেকে অনেক ভালো পরামর্শও পাওয়া যায়, যেগুলো আপনাকে

 

** ডিপ্রেশন বা হতাশা

এটা সবচেয়ে বিপজ্জনক। এটা মানুষকে একদম আটকে ফেলে। যদি সবকিছুতেই নেগেটিভ চিন্তা আসে, কোনও আশার কথা শুনলেই যদি মেজাজ খারাপ হয়ে যায়, অথবা যদি মনে হয় জীবনে আপনাকে দিয়ে কিছুই হবে না – এবং এজন্য আপনি কিছু চেষ্টাও করেন না – তবে খুব সম্ভবত আপনি ডিপ্রেশনে ভুগছেন।

আপনার যদি মনে হয় আপনি একটু হলেও ডিপ্রেশন বা হতাশায় ভুগছেন, তবে পরের টিপস গুলো আপনার জন্য।

০২. ভেবে দেখুন, আপনি জীবনে কি চান?

দুঃখ দূর করার একমাত্র উপায় হল সুখী হওয়া। যেখানে দুঃখ আছে, সেখানটা সুখে ভরে দেয়া। বলতে খুব সহজ – কিন্তু করাটা এত সহজ না-ও হতে পারে।

সুখের সবচেয়ে ভালো উদাহরণ হল, আমরা জীবনে যা করতে চাই – তা করতে পারা। যদি সব সময়ে মন খারাপ থাকে, অথবা হতাশ লাগে, তাহলে ভেবে বের করুন, সবচেয়ে সহজ কোন কাজটা করতে পারলে একটু ভালো লাগবে। তারপর সেই কাজটি করুন। হয়তো বাইরে গিয়ে একটু চা খেলে ভালো লাগবে, বা কোনও বন্ধুর সাথে দেখা করলে, একটা মুভি দেখলে মনটা একটু ভালো হবে। যেটাই হোক, সাথে সাথে করে ফেলুন। এবং এই ধরনের কাজ করতে করতেই একটু ভাবার চেষ্টা করুন, জীবনে কোন জিনিসটা করতে পারলে আপনি সবচেয়ে খুশি হবেন। কি হতে পারলে জীবনে আর কিছু চাইবেন না।

হয়তো একবারে ভেবে বের করতে পারবেন না, কিন্তু একটা সময়ে ঠিকই পারবেন। আর যখন পারবেন, তখন দিনের বেশিরভাগ সময় সেই কাজটির পেছনে কাটান। ফলাফল নিয়ে ভাববেন না। শুধু কাজ করে যান। ফলাফলের চেয়ে কাজের প্রসেস বা প্রক্রিয়াকে বেশি প্রাধান্য দিন।

বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সফল উদ্যোক্তা এবং মোটিভেটর গ্যারি ভেইনারচাক একবার বলেছিলেন, আপনি যদি কাজের প্রসেসটাকে উপভোগ করতে না পারেন – তবে যত বড় অর্জনই করুন না কেন – আপনি সুখী হতে পারবেন না। আর আপনি যেটাকে ভালোবাসবেন, একদিন না একদিন তাতে সফল হবেনই।

এই কারণেই অনেক টাকা ওয়ালা মানুষকেও ডিপ্রেশনে ভুগতে দেখা যায়। তাদের হয়তো অনেক টাকা আর ক্ষমতা আছে – কিন্তু তারা সত্যিকার অর্থেই যেটা করতে চায় – তা করতে পারেনি।

কাজেই, খুব মন দিয়ে ভাবুন – আপনি এখন যা করছেন, তা কি আসলেই আপনি করতে চান? – যদি তা না হয়, তবে এটাই হয়তো আপনার ডিপ্রেশনের কারণ।

দিনে কিছুটা সময় অন্তত নিজের প্যাশনের পেছনে দিন, তাহলেই দেখবেন ডিপ্রেশন অনেক কমে যাচ্ছে।

০৩. অন্যের দিকে তাকানো বন্ধ করুন

দুঃখ

আরেকটা ব্যাপার ভেবে দেখুন, আপনি কি নিজের জন্য কাজ করছেন না অন্যের জন্য? – এখানে চাকরি ছেড়ে ব্যবসা করার কথা বলছি না। কোনও প্রতিষ্ঠানের জন্য চাকরি করলে যদি আপনার ভালো লাগে – তাহলে সেটাই করুন। এখানে বলছি, আপনি কি অন্য কাউকে খুশী করার জন্য আপনার জীবন কাটাচ্ছেন? – অথবা অন্য কারও কিছু আছে, আপনাকেও সেটা পেতে হবে – এমন মনোভাব নিয়ে জীবন কাটাচ্ছেন?

সুখী থাকার একটি প্রধান শর্ত হল অন্যের দিকে না তাকানো। অন্যের কি আছে না নেই – এটা যেন কখনও আপনাকে পীড়া না দেয়। আরেকজনের আইফোন আছে বলে আপনারও আইফোন থাকতে হবে, অন্যের বিএমডব্লিউ আছে বলে আপনারও থাকতে হবে – এই ধরনের মানসিকতাই মানুষের মনে সবচেয়ে বেশি অশান্তির সৃষ্টি করে।

এই লেখার শেষে বিখ্যাত চীনা দার্শনিক লাও ঝু এর একটি উক্তি  রয়েছে – যা থেকে এই ব্যাপারটি আরও ভালো বুঝতে পারবেন।

০৪. প্রতিদিন ৩টি বিশেষ কাজ করুন

অনেক মনোবিজ্ঞানী, সাইকো থেরাপিস্ট, সেলফ ডেভেলপমেন্ট কোচ/লেখক মন ভালো রাখার জন্য অনেক পরামর্শ দেন। তাঁরা সবাই প্রতিদিন কিছু বিশেষ কাজ করতে বলেন। মিরাকেল মর্নিং বইয়ের লেখক হ্যাল ইলরড তো প্রতিদিন সকালে কিছু বিশেষ কাজ করার মাধ্যমে একদম শেষ হতে বসে আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন।

এই পয়েন্টে আমরা এই ধরনের তিনটি কাজের কথা বলব, যেগুলো মোটামুটি সব সেলফ ডেভেলপমেন্ট প্রফেশনালরা প্রতিদিন করার জন্য বলেন।

 

** যা আছে, তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকুন:

মানুষের দু:খী হওয়ার প্রধান একটি কারণ তার যা আছে, তার জন্য কৃতজ্ঞ না থাকা। হাদিসে এসেছে, “প্রচুর ধন সম্পত্তির মাঝে সুখ নেই, মনের সুখই প্রকৃত সুখ” – আপনি মনের সুখ তখনই পাবেন, যখন আপনার জীবনে যা পেয়েছেন – তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকবেন। প্রতিদিন সকালে উঠে ভাবুন, আপনার জীবনে কোন কোন জিনিসের জন্য আপনি কৃতজ্ঞ হতে পারেন। আপনার পরিবারের মানুষরা আপনাকে ভালোবাসে, আপনার মাথার ওপর একটা ছাদ আছে – চিন্তা করলে এমন বহু বিষয় খুঁজে পাবেন – যেগুলো অনেকেরই নেই, কিন্তু আপনার আছে। এগুলোর জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে কৃতজ্ঞতা জানান। – দেখবেন দিনের শুরুটা অনেক ভালো মানসিক অবস্থায় থাকতে পারছেন। এই কৃতজ্ঞ থাকার কারণেই অনেক মানুষ বলার মত কিছু না থাকার পরও দারুন সুখী, আর কিছু মানুষ সব রকম পার্থিব আরাম আয়েশের সুযোগ থাকার পরও হতাশ ও দু:খী।

 

** প্রার্থণা:

ধর্মীয় কাজ মানুষকে অন্যরকম প্রশান্তি এনে দেয়। গভীর ধ্যানমগ্ন হয়ে সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ করা, তাঁর প্রশংসা করা, এবং তাঁর কাছে সাহায্য চাওয়া, একজন মানুষকে সব দু:খ ভুলিয়ে দিতে পারে। ইশ্বরের স্মরণ মানুষের মনে অন্যরকম আত্মবিশ্বাস ও নিরাপত্তার বোধ এনে দেয়। তাই প্রতিদিন নিয়মিত প্রার্থণা করুন। সৃষ্টিকর্তার কাছে আন্তরিক ভাবে আপনার চাওয়া পেশ করুন, এবং ধৈর্যের সাথে তাঁর প্রতিদানের জন্য অপেক্ষা করুন। দেখবেন প্রতিদিন একটু একটু করে আপনার মন থেকে দু:খ ও আফসোস মুছে যাচ্ছে।

 

** প্রতিদিন অন্যের জন্য কিছু করুন

যে মানুষ অন্যের জন্য প্রতিদিন কিছু না কিছু করে, তার মনে একটা দারুন সুখের অনুভূতি হয়। প্রতিদিন অন্য কাউকে কোনও না কোনও ভাবে সাহায্য করার চেষ্টা করুন। এমনকি পশু-পাখির জন্য ভালো কিছু করাও অনেক বড় পরোপকার। কোনও মানুষের বিপদ দেখলে সাধ্যমত সাহায্য করার চেষ্টা করুন। ক্ষুধার্ত কাউকে পেলে সাধ্যমত খাওয়ান। বারান্দা বা জানালার কাছে পাখিদের জন্য পানি ও খাবার রাখুন। যখন দেখবেন পাখিরা এসে আপনার দেয়া পানি ও খাবার খাচ্ছে – তখন অন্যরকম ভালোলাগায় মনটা ভরে যাবে। আর যদি কোনও মানুষের উপকার করতে পারেন – তবে আরও ভালো লাগবে। এছাড়া নিজের কাছের মানুষগুলোকে ভালোবাসা দিন। নিজের সন্তান, বাবা-মা, বন্ধু, জীবনসঙ্গী, ভাই-বোন, সবার প্রতি আন্তরিক থাকুন। কোনও প্রতিদানের আশা করা ছাড়াই তাদের জন্য যতটা পারেন উজাড় করে দিন। দেখবেন, জীবনটাকে অনেক সুন্দর মনে হচ্ছে। প্রতিদিন অন্যের জন্য কিছু না কিছু করার চেষ্টা করুন – দেখবেন দু:খের জায়গা দখল করার জন্য সুখের অনুভূতি এসে হাজির হচ্ছে।

পরিশিষ্ট:

দু:খ জীবনের একটা অংশ। বিশ্বখ্যাত মনোবিজ্ঞানী কার্ল গুস্তাব যুং বলেছেন, “পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী জীবন কাটানো মানুষ গুলোরও দুঃখ আছে। এটা একটা ব্যালেন্স তৈরী করে। সবচেয়ে ভালো উপায় হল তাকে আসতে দাও, এবং ধৈর্যের সাথে তাকে সামলাও”

এই ধৈর্যের সাথে দু:খ সামলাতে পারলেই আসলে জীবনে সুখী হওয়া যায়। দু:খের ওপর ফোকাস না করে, সুখী হওয়ার কারণ গুলোর দিকে বেশি মনোযোগ দিলেই, জীবনটা অনেক সুন্দর হয়ে যাবে।

বিখ্যাত চীনা দার্শনিক লাও ঝু এর একটি উক্তি সব সময়ে মনে রাখার চেষ্টা করবেন:

যদি তুমি পূর্ণতার জন্য অন্যের দিকে তাকাও, তবে তুমি কখনও পূর্ণ হবে না। যদি তোমার সুখ সম্পদের ওপর নির্ভর করে – তবে তুমি কখনও সুখী হবে না। তোমার যা আছে – তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকো। যখন তুমি নিজের মনে সুখী হতে পারবে – পুরো পৃথিবীটাই তোমার হবে”

– আর সেই পথে এই লেখাটি যদি আপনাকে একটু সাহায্য করে – তাহলেই আমাদের উদ্দেশ্য সফল হবে।

লেখাটির বিষয়ে আপনার যে কোনও মতামত আমাদের কমেন্ট করে জানান। আপনার প্রতিটি মতামতই আমাদের কাছে মহামূল্যবান। 

আর যদি মনে হয় লেখাটি অন্যদেরও উপকার করবে – তবে শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন। 

আমরা আমাদের পাঠকদের কাছ থেকেও অনুপ্রেরণামূলক লেখা আশা করছি।  এই ধরনের লেখা যদি আপনিও লিখতে পারেন তবে write@test.edaning.com – এ ইমেইল করতে পারেন।  আপনার লেখা যত্ন সহকারে আপনার নাম সহ আমরা প্রকাশ করব। 

নিয়মিত অনুপ্রেরণামূলক ও আত্ম উন্নয়ন মূলক লেখা পাওয়ার জন্য আমাদের সাথে থাকুন।  সাফল্যের পথে লড়াকু সব সময়ে আপনার সাথে আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *